Breaking News
তিন সন্তান সরকারী কর্মকর্তা কিন্তু বৃদ্ধ ‘মা’ ভিক্ষা করা ভাত খাই!
তিন সন্তান সরকারী কর্মকর্তা কিন্তু বৃদ্ধ ‘মা’ ভিক্ষা করা ভাত খাই!

তিন সন্তান সরকারী কর্মকর্তা কিন্তু বৃদ্ধ ‘মা’ ভিক্ষা করা ভাত খাই!

তিন ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও ভিক্ষা করতে হচ্ছে মাকেএকজন মা’য়ের শ্রেষ্ঠ অর্জন তার সন্তানেরা। সারাজীবনের সমস্ত প্রাপ্তি আর শ্রম দিয়ে মা তার স’ন্তানদের মানুষ করেন। কিন্তু জীবনের নি’র্মম পরিহাসে অনেক সময় এই ‘মানুষ’ হওয়া সন্তানের আচরণও অমানবিক হয়ে উঠে।

গল্পটি এমনই এক মায়ের। বরিশালের বাবুগঞ্জ উপ’জে’লার ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের এক দুঃখিনী মায়ের জীবনের নিয়ত সংগ্রামের, টিকে থাকার গল্প এটি।মনোয়ারা বেগম আর আইয়ুব আলীর টানাপোড়েনের সংসারে অভাব নি’য়মিত মেহমান হলেও ঠিকঠাক চলেই যাচ্ছিল ৬ সন্তানের এই পরিবারটি।

কৃষক আইয়ুব আলী সা’ধ্যমত তার সকল সন্তানকে মানুষ করার চেষ্টা করেন। আইয়ুব আলী-মনো’য়ারা দম্পতির ছয় সন্তানের মধ্যে তিন ছেলে- ফারুক হো’সেন, নেছার এবং জসীম উদ্দিন পুলিশে কর্মরত। মেয়ে মরিয়ম সু’লতানা আছেন শিক্ষকতা পেশায়।

বাকি দুই সন্তান শা’হাবউদ্দিন করেন ব্যবসা আর গিয়াস উদ্দিন ইজি বাইক চালিয়ে ভালোই আছেন। পরিহা’সের বিষয়, এতগুলো সন্তানকে প্রতিষ্ঠিত করেও এই মাকে আজ জী’বিকা নির্বাহ করতে হচ্ছে ভিক্ষা করে।

তিন ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা, মেয়ে সরকারি প্রা’থমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা অথচ সেই মাকেই কিনা জীবন বাঁ’চাতে ঘুরতে হচ্ছে মানুষের দ্বারে দ্বারে।

দিনে এক বেলাও ঠিকমতো ভাগ্যে জুটছে না ভাত। বৃদ্ধা মনোয়ারা বেগমের বয়স হয়েছে। স্বা’ভাবিক ভাবে হাঁটতে পর্যন্ত পারেন না। তারওপর গত ৪-৫ মাস আগে ভিক্ষা করতে গিয়ে পড়ে কোমরের হাড় ভেঙ্গে যায়। সেই থেকে বাবুগঞ্জের স্টিল ব্রিজের পাশে একটি খুপ’রি ঘরে বিনা চিকিৎসায় অর্ধাহারে বেঁচে আছেন। নিঃস্ব, অসহায়, মূক।

মনোয়ারা বেগমের ইজি বাইক চালক ছেলে গি’য়াস উদ্দিন জানান, ‘আমার সাধ্য মত মাকে চিকিৎসা দেবার চেষ্টার করছি।এখন আমিও সহায় সম্বলহীন তাই বৃদ্ধ মা আজ বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু পথযাত্রী। আ’মার তিন ভাই পুলিশ অফিসার। তারা তা’দের স্ত্রী সন্তান নিয়ে অন্যত্র থাকে। মা’য়ের কোন খোঁজ খবর নেয় না।

About admin

Check Also

ফসলি জমির দাম ছিল প্রতি গণ্ডা ৩০ হাজার টাকা কিন্তু বর্তমানে সেই জমির দাম প্রতি গণ্ডা ৭২ থেকে ৭৪ লাখ টাকা-

ফসলি জমির দাম ছিল প্রতি গণ্ডা ৩০ হাজার টাকা কিন্তু বর্তমানে সেই জমির দাম প্রতি গণ্ডা ৭২ থেকে ৭৪ লাখ টাকা-

৩০ বছর আগে কক্সবাজার শহরের বিমানবন্দর এলাকার যে ফসলি ২০ গণ্ডা জমির দাম ছিল ৩০ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *